কিন্তু মুসলিমরা আজ কোথায়?
এগুলি ইদানীংকালের (মুনাফিকদের) কমন প্রশ্ন...
মুসলিম বিজ্ঞানী আছে,গবেষকও আছে।কিন্তু সমস্যা হল উদীয়মান কোন মুসলিম বিজ্ঞানী বা গবেষক তার আবিস্কার শুরু করলেই তার নাম উঠে যায় মোসাদের হিটলিস্টে।তাকে হত্যার জন্য পাগলপারা হয়ে যায় মোসাদ।বিগত কয়েক দশকে মোসাদ হত্যা করেছে শতাধিক মুসলিম বিজ্ঞানী ও গবেষককে।
তিউনিসিয়ার ড্রোন ডিজাইনার বিজ্ঞানী মোহাম্মাদ জাউয়ারিকে হত্যা করেছে মোসাদ। হামাসের পক্ষে কাজ করতেন তিনি।
ইরানের শীর্ষস্থানীয় পরমাণু বিজ্ঞানী আরদাশীর হাসান বাউর মোসাদ এজেন্টদের হাতে নিহত হয়।
ইরাকের পরমাণু কর্মসূচী যখন সফলতার দ্বারপ্রান্তে তখন ইসরাইলের মোসাদ হত্যা করে ইরাকের পরমাণু প্রকল্পের প্রধান ড. ইয়াহিয়া আমীনকে।
লেবাননের পদার্থবিদ্যাবিদ রাম্মাল হাসানকে হত্যা করে মোসাদ।
মিসরীয় পরমাণু বিজ্ঞানী ড. সামীর নাগিবকে হত্যা করে মোসাদ। মিসরীয় বিজ্ঞানী সাঈদ আল বুদায়েরকে হত্যার সাথেও মোসাদ জড়িত।
আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন স্নায়ু বিজ্ঞানী ড. আফিয়া সিদ্দিকার উপর নির্যাতনের কথা তো সবাই-ই জানি।তার উপর নির্যাতনের সাথেও মোসাদ জড়িত।
কয়েকদিন আগে মালেয়শিয়ায় ফিলিস্তিনের মেধাবী রকেট বিজ্ঞানী ফাদি আল-বাত্শ হত্যার সাথেও মোসাদ জড়িত।
মোসাদের হাতে নিহত এরকম অসংখ্য মুসলিম বিজ্ঞানী,পরমাণু বিজ্ঞানী ও গবেষক রয়েছেন যারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারলে অনেক মুসলিম দেশই পরমাণু শক্তিধর দেশে পরিণত হত।কিন্তু ইসরাইলের সন্ত্রাসের কারণে তা হয়নি।ইহুদী ইসরাইলের মেধার চাইতে বেশী জোর রয়েছে সন্ত্রাসবাদের।সেই সন্ত্রাসবাদের জোরেই তারা কোন মুসলিম বিজ্ঞানীকে বাঁচতে দিচ্ছেনা।ফাঁকা মাঠে গোল দেওয়ার জন্য অত মেধা লাগেনা।
মুসলিম দেশের কোন গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের মত কাজ করলে আমরাই তখন তাদের জঙ্গি তকমা লাগিয়ে দিতাম কিন্তু আজ মোসাদকে জঙ্গি বলা হচ্ছেনা বরং তাদের সন্ত্রাসবাদকে পিছনে রেখে তাদের মেধার গুণগান করা হচ্ছে।
History of Muslim'S
No comments:
Post a Comment