Wednesday, 30 October 2024

কারো সাহায্য ছাড়াই নিজে কিভাবে পাসপোর্ট করবেন

কারো সাহায্য ছাড়াই নিজে কিভাবে পাসপোর্ট করবেন..

বাংলাদেশে পাসপোর্ট করার জন্য আপনাকে নিজেই আবেদন করতে পারেন। ই-পাসপোর্ট (ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট) করতে হলে কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে, যা সহজভাবে সম্পন্ন করা যায়। নিচে ধাপগুলো দেওয়া হলো:

ধাপ ১: আবেদন ফর্ম পূরণ
১.১. ই-পাসপোর্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশ
প্রথমেই আপনাকে বাংলাদেশ ই-পাসপোর্টের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে হবে।

১.২. রেজিস্ট্রেশন
যদি আপনি নতুন ব্যবহারকারী হন, তাহলে "Create Account" বা "নতুন একাউন্ট তৈরি করুন" অপশনে ক্লিক করে রেজিস্ট্রেশন করবেন। রেজিস্ট্রেশনের সময় আপনাকে নিচের তথ্য দিতে হবে:
- নাম
- ইমেইল আইডি
- মোবাইল নম্বর
- পাসওয়ার্ড তৈরি করতে হবে

এরপর আপনার মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড) যাবে, যা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হবে।

১.৩. ফর্ম পূরণ
লগইন করার পর আপনাকে আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হবে। এই ফর্মে নিচের তথ্যগুলো চাওয়া হয়:
- ব্যক্তিগত তথ্য (নাম, জন্ম তারিখ, ঠিকানা)
- জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর (NID)
- পেশাগত তথ্য (যদি প্রযোজ্য হয়)
- পাসপোর্টের ধরন নির্বাচন (৫ বছর বা ১০ বছরের মেয়াদ)

১.৪. ফর্ম সাবমিশন ও প্রিন্ট
আপনি যখন অনলাইনে ফর্ম পূরণ করবেন, তখন আপনাকে তা যাচাই করতে হবে। যাচাই করার পর ফর্মটি সাবমিট করে তার প্রিন্ট কপি সংরক্ষণ করুন। এটি পরবর্তীতে প্রয়োজন হবে।

ধাপ ২: পাসপোর্ট ফি জমা করা
২.১. ফি নির্ধারণ
আপনার ই-পাসপোর্টের জন্য ফি নির্ধারিত থাকে। এর উপর নির্ভর করে আপনার জমা দিতে হবে:
- ৫ বছরের মেয়াদ (৪৮ পৃষ্ঠা): সাধারণ ৩,৪৫০ টাকা (দ্রুত ফি ৬,৯০০ টাকা)
- ১০ বছরের মেয়াদ (৬৪ পৃষ্ঠা): সাধারণ ৫,৭৫০ টাকা (দ্রুত ফি ৯,২০০ টাকা)

২.২. ফি জমা দেওয়ার পদ্ধতি
আপনি নিচের যেকোনো মাধ্যম দিয়ে পাসপোর্ট ফি জমা দিতে পারবেন:
- ব্যাংক ডিপোজিট: নির্দিষ্ট ব্যাংকে গিয়ে সরাসরি জমা দিতে পারেন।
- অনলাইন পেমেন্ট: ব্যাংক ট্রান্সফার, মোবাইল ব্যাংকিং (যেমন বিকাশ, নগদ), অথবা ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে অনলাইন পেমেন্ট করতে পারেন।

ধাপ ৩: বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান
৩.১. নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিতি
আপনার ফর্ম এবং ফি জমা দেওয়ার পর আপনাকে একটি তারিখ দেওয়া হবে। সেই তারিখে নির্দিষ্ট পাসপোর্ট অফিস বা ই-পাসপোর্ট সেন্টারে উপস্থিত হতে হবে।

৩.২. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
বায়োমেট্রিক তথ্যের দিন আপনার সাথে নিচের কাগজপত্রগুলো নিয়ে যাবেন:
- প্রিন্ট করা আবেদন ফর্ম
-জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা জন্ম সনদ
- আগের পাসপোর্ট (যদি থাকে)
- পাসপোর্ট ফি জমার রশিদ

৩.৩. বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়া
সেন্টারে গিয়ে আপনাকে নিচের কাজগুলো করতে হবে:
- আপনার ফিঙ্গারপ্রিন্ট (আঙুলের ছাপ)
- আপনার ছবি তোলা হবে
- স্বাক্ষর প্রদান

ধাপ ৪: পাসপোর্ট সংগ্রহ
৪.১. পাসপোর্ট প্রস্তুতির সময়
বায়োমেট্রিক তথ্য জমা দেওয়ার পর পাসপোর্ট প্রস্তুতির জন্য কিছু সময় নেয়। সাধারণত ১৫ থেকে ৩০ কর্মদিবস সময় লাগতে পারে, যদি দ্রুত সেবা না নেন।

৪.২. এসএমএস নোটিফিকেশন
পাসপোর্ট প্রস্তুত হলে আপনাকে মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। এছাড়াও ই-পাসপোর্ট ওয়েবসাইটে লগইন করেও আপনার পাসপোর্টের অবস্থা দেখতে পারবেন।

৪.৩. পাসপোর্ট সংগ্রহ
এসএমএস পাওয়ার পর নির্দিষ্ট কেন্দ্রে গিয়ে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র এবং প্রাপ্তি স্লিপ দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারবেন।
পাসপোর্ট প্রক্রিয়ার কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস:
- সব সময় ফর্ম পূরণ করার সময় সঠিক তথ্য প্রদান করবেন।
- ফি জমা দেওয়ার পর রশিদটি সাবধানে রাখুন।
- ছবি তোলার দিন পরিষ্কার পোশাক পরিধান করবেন এবং মুখ পরিষ্কার রাখতে হবে (ধূসর ব্যাকগ্রাউন্ডে ছবি তোলা হয়)।

আপনি পুরো প্রক্রিয়াটি নিজে সম্পন্ন করতে পারেন, কোনো মধ্যস্থতাকারীর প্রয়োজন নেই।

Thursday, 30 May 2024

Shaver Brand New Design Men Razor Shaving Three Layer

Shaver Brand New Design Men Razor Shaving Three Layer Shaver Reusable Razor Imported Blade Multi Tool Head Change | https://click.daraz.com.bd/e/_beUM6kx

Tuesday, 20 February 2024

Re-think your drink‼️ The effects of sugary drinks (children’s) health

Re-think your drink‼️ The effects of sugary drinks (children’s) health 

The amount of sugar in sweetened beverages easily adds up. Drinking one soda a day equals 55 pounds of sugar per year. 

Consuming too much sugar can lead to health problems such as:

❌ Unhealthy weight gain and obesity: Can lead to heart disease, liver problems, diabetes and bone problems

❌ Heart disease: Damages blood vessels which can lead to a heart attack

❌ Tooth decay: Growth of bacteria in your mouth that destroys tooth enamel and leads to cavities

❌ Fatty liver Fat in the liver causes damage, and then the liver can't do its many jobs

❌ Type 2 diabetes The pancreas stops making insulin, which your body needs to deliver fuel to cells

via https://lnkd.in/edFHUu8e

#health #safety

Friday, 16 February 2024

৭টি সহজ অভ্যাস যা আপনাকে পজিটিভ থাকতে সাহায্য করবে

৭টি সহজ অভ্যাস যা আপনাকে পজিটিভ থাকতে সাহায্য করবে


A ttitude is everything in life
উইলিয়াম জেমসের একটা কথা খুব ইম্পর্টেন্ট, মানুষ যে তার জীবনকে বদলে ফেলতে পারে দৃষ্টিভঙ্গি বদলে ফেলার মাধ্যমে। এই আবিষ্কারই হচ্ছে, গেল শতকের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ একটা আবিষ্কার। আমাদের সমাজে মূলত দুই ধরনের মানুষ বসবাস করে। এক ধরনের মানুষ হচ্ছে, সবকিছুর মধ্যে নেগেটিভিটি খুঁজেন। আরেক ধরনের মানুষ হচ্ছে যে সবকিছুর মধ্যে সুন্দর বিষয় দেখেন। নিরাশার মধ্যে আসার খোঁজ করেন। অন্ধকারের মধ্যে আলো দেখেন। আর যারা নেগেটিভিটি বাইয়েজড মানুষ তারা শুধু সবকিছুর মধ্যে নেগেটিভিটি খুঁজেন। যে তরকারি খুব ভালো হয়েছে কিন্তু লবণটা একটু বেশি। তরকারি খুব ভালো হয়েছে, কিন্তু ঝালটা আরেকটু কম দিলে ভালো। আবার অনেক মানুষ আছে যে, একটু যদি খারাপও কিছু থাকে তবে তাঁর ভালো গুণটা দেখে সে বলে না খুব চমৎকার হয়েছে।

তাই পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গিকে কিন্তু বলা হয় যে সফলতা প্রথম সোপান। আপনি সফল হবেন কি বিফল হবেন কোনো একটা কাজে। এটা আপনার দৃষ্টিভঙ্গি ঠিক করে দেবে। আপনি যদি positive attitude এর মানুষ হন তাহলে দেখবেন, আপনি নেগেটিভিটিকে জয় করে, দুঃসাধ্য কোনো বিষয়কে জয় করে অনেক বাধা বিঘ্নকে অতিক্রম করে আপনি সামনে গিয়ে সফল হতে পারবেন। আর যদি আপনি শুধু খুঁত ধরতে থাকেন। একটা জিনিসের মধ্যে শুধু দোষ খুঁজতে থাকেন। একটা জিনিসের মধ্যে সব নেগেটিভিটি খুঁজতে থাকেন। তাহলে দেখবেন, আপনি সফল হতে পারছেন না। আপনি বিফল হচ্ছেন। আপনি তার মধ্যে অসুখ খুঁজে পাচ্ছেন। আপনি তার মধ্যে দোষ খুঁজে পাচ্ছেন। ত্রুটি খুঁজে পাচ্ছেন। আমরা কয়েকটা টিপস শেয়ার করছি, যে টিপসগুলা আপনি যদি নেগেটিভ দৃষ্টিভঙ্গির মানুষ হয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গির মানুষ হতে সহায়তা করবে।

টিপস নাম্বার ওয়ান, সিদ্ধান্ত নিন। যখন আমরা কোনো একটা সিদ্ধান্ত নিই, যে আমরা এই কাজটি করবো। তখন পুরো ইউনিভার্স আপনার লক্ষ্য পূরণে আপনাকে সহায়তা করে। সুতরাং, আপনি যদি সিদ্ধান্ত নেন, যে আপনি পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গির মানুষ হবেন। আজ থেকে, এখন থেকে আপনি মনে সেটা লালন করুন। দেখবেন আপনার মধ্যে পজিটিভিটি আসা শুরু হয়েছে। আপনি যে কোনো জিনিস দেখবেন, তখনই আপনার মনে হবে যে না এটা নিয়ে আমি নেগেটিভ চিন্তা করবো না। আমি পজিটিভ চিন্তা করবো। যখন কেউ আপনাকে কিছু বলবে যে, আপনি এটা পারবেন না। তখনই আপনার ভিতরে এক শক্তি জেগে উঠবে যে, না আমি এটা পারবো। কে বলেছে আমি পারবো না। আমি পারবো কি না পারবো তুমি বলার কে? কেউ যদি আপনাকে বলে যে, না আপনি দুঃখী হবেন। বলবেন না আমি সুখী হব। আমি দুঃখের মাঝেও সুখ খুঁজে নিব। সুখ দুঃখতে পাশাপাশি হাঁটে। কিন্তু আমি খুঁজবো সুখ। আমি দুঃখের পেছনে কেন যাব? আমি অন্ধকারকে খুঁজি না। আমি আলো খুঁজবো। তবেই না আলো আসবে আমার অন্তরে।

পয়েন্ট নাম্বার দুই, নেতিবাচক মানুষ এড়িয়ে চলুন। আপনি যদি একটু আন্তরিকভাবে খেয়াল করেন, যে আপনি যাদের সাথে চলেন বা আপনার পরিবারের অনেক সদস্য আছে। দেখবেন যে নেগেটিভিটি মানুষের মধ্যে খুব পরিপূর্ণ। বেশিরভাগ লোকই নেগেটিভ। আপনি চেষ্টা করবেন, নেগেটিভ দৃষ্টিভঙ্গির যারা মানুষ তাদের থেকে মূলত একটু দূরে থাকতে। এবং যারা পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি চর্চা করেন, যারা পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গিকে লালন করেন তাদের সাথে মিশতে। কারণ আপনি যার সাথে মিশছেন, আপনার আচার আচরণ আস্তে আস্তে তার মতো হয়ে যায়। দেখবেন, যদি একজন ভালো মানুষের সাথে মিশেন, আপনি আস্তে আস্তে ভালো মানুষে রুপান্তরিত হচ্ছেন। আবার যদি কোনো খারাপ মানুষের সাথে মিশেন, আপনি আস্তে আস্তে খারাপ মানুষে রুপান্তরিত হচ্ছেন। তার চরিত্র, তার বৈশিষ্ট্য, তার চালচলন, কথা বলার ধরন নিবেন। তার কাজের ধরন, দেখবেন যে আপনার মধ্যে আস্তে আস্তে ঢুকে যাচ্ছে। এই জন্য সঙ্গী নির্বাচনে খুব সচেতন হবেন। তাহলে আপনি নেগেটিভিটি থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারবেন। আপনি পজিটিভিটির চর্চা চালিয়ে যেতে পারবেন।


তিন, প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে জেগে এবং রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে আপনি নিজেকে বলুন। আপনি পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গির চর্চা করবেন। একটু আগে যেটা বলেছি, আপনি দুঃখের মধ্যে সুখ খুঁজবেন। আপনি সব কিছুর মধ্যে সম্ভাবনা খুঁজবেন। আপনি ধ্বংসের মধ্যে উত্থান দেখবেন। যে নগরী আগুনে পুড়ে গেছে, তার মধ্যে আপনি নতুন শহরের স্বপ্ন দেখবেন। আপনি ব্যর্থতার মধ্যে সফলতা খুঁজবেন। তাহলে আপনি গ্রাজুয়েলি পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গির মানুষ হিসেবে রূপান্তরিত হবেন। এবং আপনিও উপকৃত হবেন। আপনার আশেপাশের সমস্ত মানুষ উপকৃত হবে।

চার, নিজেকে পরিস্থিতির শিকার বলে মনে করবেন না। দেখবেন যে কিছু মানুষ আছে, তারা যেকোনো পরিস্থিতির জন্য সবসময় অন্যকে দায়ী করবে। আমি সুখী হতে পারিনি, কারণ তুমি আমাকে সুখী হতে দাওনি। আমি এত কষ্টে আছি কারণ তুমি আমার কষ্টের কারণ। আমি জীবনে চাকরি করতে পারিনি কারণ তুমি আমাকে চাকরি পেতে সাহায্য করোনি। আমার জীবনকে দোজখ বানিয়ে দিয়েছো। তোমার জন্যে আমি জীবনে একটু শান্তি পাইনি। এই যে অভিযোগ, এই অভিযোগ অনেক মানুষের। এবং এরকম নেগেটিভিটির চর্চা করেন কিছু মানুষ। দেখবেন এদের মধ্যে, কোনো পজিটিভ কিছু আপনি খুঁজে পাচ্ছেন না। এবং এরা হচ্ছে তারা, যারা মনে করে যে, সারা পৃথিবী তার বিপরীতে। আর সে পৃথিবীর বিরুদ্ধে লড়ছে। একপাশে সারা পৃথিবী আর একপাশে সে একা। এইরকম মানুষ থেকে খুব হুঁশিয়ার। এরা প্রচন্ড বিষাক্ত মানুষ। এরা আপনাকে এক বিন্দু সুখে থাকতে দিবে না। যদি আপনি পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি চর্চা না করেন, আপনি যদি পজিটিভ না হন। সুতরাং যারা মনে করে যে, তারা পরিস্থিতির শিকার, এরা কিন্তু খুব ডেঞ্জারাস। মনে করবেন, আপনার যে পরিস্থিতি এর জন্য রেস্পন্সিবেল আপনি। তাই নিজেকে কখনো পরিস্থিতির শিকার মনে করবেন না।

পাঁচ, নিজের মনের উপরে চাপ আসে এমন কোনো বিষয় বা জায়গা এড়িয়ে চলুন। দেখবেন, যে আপনার সাথে একজন মানুষের সম্পর্ক ছিল, সেই সম্পর্কটা বিচ্ছেদ হয়েছে। মাঝে মাঝে তার সাথে দেখা হয়, দেখা হলেই আপনার মন কষ্টে ভরে যায়। কোনো কোনো জায়গা আছে, যে জায়গা একসময় আপনাকে অনেক শান্তি দিয়েছে। এখন সেখানে গেলে আপনার মন অশান্তিতে ভোরে ওঠে।যখনই আপনার মধ্যে অশান্তি ভিড় করে, যখনই আপনার মধ্যে কষ্ট ভিড় করে, এগুলো হচ্ছে আসলে নেতিবাচক অনুভব। এই নেতিবাচক অনুভব গুলা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তাহলে দেখবেন, আপনি পজিটিভ feeling এর মধ্যে ঢুকতে পারবেন। পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে ঢুকতে পারবেন। তার অর্থ এই না যে, আপনার জীবনে দুঃখ আসবে না। আপনি কাঁদবেন না। আমরা দুঃখ পাবো না, কষ্ট পাবো না এটা ঠিক না। কিন্তু আমার কথা হচ্ছে আপনি কোনো কিছু নেগেটিভিটিকে আপনি লালন করবেন না। এটা লম্বা সময় ধরে রাখবেন না। আপনি দুঃখের মধ্যে আনন্দ খুঁজে নিবেন। কারণ লম্বা সময় ধরে যদি আপনি দুঃখের মধ্যে থাকেন তাহলে অবসাদ আপনাকে গ্রাস করবে। আপনি বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়বেন। আপনি কর্মহীন হয়ে পড়বেন। আপনার কর্মক্ষমতা কমে যাবে। আপনি অসুখী হয়ে পড়বেন। আপনি অসুস্থ হয়ে পড়বেন।

ছয়, অন্যদের সাথে নিজের তুলনা করবেন না। পৃথিবীতে প্রত্যেকটা মানুষ কিন্তু ইউনিক। আমার মত মানুষ এই লক্ষ কোটি বছরে পৃথিবীতে আর একজনও আসে নাই। ভবিষ্যতে একজনও আসবে না। ঠিক আপনার মত মানুষও আর কেউ নেই, কেউ আসবে না। সবাই ইউনিক, সবার গুণও আলাদা। দেখতে যেমন আলাদা, সবার ব্যবহারও আলাদা। এই জন্য অন্য একজন খুব ভালো করছে বা অন্য একজন খারাপ করছে, তার সাথে আপনি নিজেকে মিলাবেন না, নিজের তুলনা করবেন না। আপনার মধ্যে ইউনিক কিছু ক্যাপাসিটি আছে, আপনার মধ্যে ইউনিক কিছু প্রতিভা আছে, ইউনিক কিছু গুণ আছে, আপনি সেই গুণের চর্চা করুন। আপনার কি করতে ভালো লাগে? সেটাকে খুঁজে বের করুন। আপনার passion এর সাথে আপনার profession কে মেলানোর চেষ্টা করুন। দেখবেন আপনি সুখী মানুষে রুপান্তরিত হচ্ছেন। সফল মানুষে রুপান্তরিত হচ্ছেন। আপনি পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গিরহ মানুষে রুপান্তরিত হচ্ছেন।

সাত, ক্ষমা করতে শিখুন। সবচেতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হচ্ছে মানুষকে ক্ষমা করতে শেখা। আপনি জীবনে চলার পথে, অসংখ্য মানুষ আপনার প্রতি অনেক অন্যায় করেছে। আপনার প্রতি অবিচার করেছে। আপনাকে পিছিয়ে দিতে চেয়েছে। আপনার সাথে দুর্ব্যবহার করেছে। প্রথমে যে কাজটা করুন। নিঃস্বার্থে ক্ষমা করে দিন। তার মানে আমি এইটা বলছি না যে, আপনি কারও কাছে ১০ লাখ তাকা পাবেন, এটা আপনি ক্ষমা করে দিন। আমি আচারণের কথা বলছি। আপনার প্রতি বিভিন্ন ধরনের অন্যায় বিভিন্ন মানুষ করেছে চলতি পথে। আপনি আপনার জীবনের ঘটনাগুলো মনে পরলে অনেক কিছু পাবেন। এদেরকে আপনি মাফ করে দিন। তাতে যেটা উপকার হবে আপনি নিজে ভারমুক্ত হবেন। আপনি অনেক রোগ থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারবেন। আপনি অনেক কষ্ট থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারবেন।তাই নিজেকে যদি আপনি বাঁচাতে চান, নিজেকে যদি সুখী করতে চান। তাহলে এক্ষুনি সবাইকে এক এক করে মনের মধ্যে আনুন, এবং ক্ষমা করে দিন। যারা আপনার সাথে অপরাধ করেছে। দেখবেন আপনজনেরা অপরাধ অনেক বেশি করে। দেখবেন, আপনজনেরা অনেক বেশি কাঁদায়, অনেক বেশি কষ্ট দেয়। তাদেরকে ক্ষমা করুন। ক্ষমা আপনার জীবনকে সুন্দর করতে পারে। সমাজকে সুন্দর করতে পারে। আপনার দৃষ্টিভঙ্গি পজিটিভ করতে সহায়তা করতে পারে।