Every news is here waiting for you, just you read & try;when take it. then it success to the writer ...
Sunday, 29 November 2015
Welcome! Subscribe! Youtuber -Youtube Subscribe 2016
https://www.youtube.com/channel/UCJf3BVHrfLPgjBHoY5JfWXw
Saturday, 14 November 2015
পড়াশোনার পাশে চাকরী করতে চান ‘কল সেন্টারে’?
অনলাইন:
বর্তমান সময়ে বেশির ভাগ শিক্ষার্থীই পড়াশোনার পাশাপাশি খণ্ডকালীন বিভিন্ন কাজ করতে চান। আর তরুণদের পছন্দসই একটি পেশা হচ্ছে কল সেন্টারের চাকরি। বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং (বিপিও) নিয়ে আগামী ৯ ও ১০ ডিসেম্বর ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এই সম্মেলনে ২০০ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন কল সেন্টারের চাকরির নিয়োগপত্র দেওয়া হবে।
সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য) যৌথভাবে এ আয়োজন করছে। বিপিওকে মূল মাধ্যমে নিয়ে আসা, দেশের তরুণদের বেশি করে এই খাতে আগ্রহী করে তোলা এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে বিপিও খাতের অবস্থানকে তুলে ধরতে এ সম্মেলন আয়োজন করা হচ্ছে বলে বাক্য সূত্রে থেকে জানা গেছে। এতে ১০টি দেশের প্রতিনিধি, বিশেষজ্ঞ ও উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
বাক্যর সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘এই সম্মেলনে আমরা ২০০ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন কল সেন্টারের চাকরির নিয়োগপত্র দেব।’ তিনি বলেন, ‘দেশের ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় সাত হাজারের মতো সিভি সংগ্রহ করা হবে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যারিয়ার ক্লাব ও সেমিনারের মাধ্যমে এসব সিভি সংগ্রহ করা হবে।
এর পাশাপাশি সিভি ইমেইলেও পাঠানো যাবে : carerr@bacco.org.bd এই ঠিকানায়। এসব কার্যক্রম চলবে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত। আর ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বিভিন্ন কল সেন্টারের মাধ্যমে সিভি যাচাই-বাছাই ও সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে ২০০ জনকে চূড়ান্তভাবে মনোনীত করা হবে।
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য) সূত্রে জানা গেছে, দেশে বিটিআরসির নিবন্ধিত কল সেন্টারের সংখ্যা ৮০টির বেশি। আর বাক্যর নিবন্ধিত কল সেন্টারের সংখ্যা ৭১। এসব কল সেন্টারে প্রায় ২৩ হাজারের বেশি লোক কাজ করছেন। বর্তমানে বিভিন্ন মোবাইল অপারেটর কোম্পানিসহ বড় বড় প্রতিষ্ঠানে এসব কল সেন্টার তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে চুক্তিভিত্তিক কাজ করছে। ফলে বাড়ছে এসব কল সেন্টারের সংখ্যা। তাই এ খাতে চাকরির সুযোগও বাড়ছে। এসব কল সেন্টারে খণ্ডকালীন চাকরির সুযোগ রয়েছে।
ডিজিকন টেকনোলজিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াহিদ শরীফ জানান, বর্তমানে তাঁদের এখানে পাঁচ শতাধিক লোক কাজ করছেন। ১৬টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাঁরা ইতিমধ্যেই তৃতীয় পক্ষ হিসেবে কাজ করছেন। তিনি বলেন, ‘প্রতিবছরই আমরা দেড় থেকে দুই হাজার লোক নিয়োগ করে থাকি। বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থীদেরও লেখাপড়ার পাশাপাশি এ চাকরিতে সুযোগ আছে।
পড়াশোনা শেষে অন্য চাকরিতে ঢোকার ক্ষেত্রেও এই চাকরির অভিজ্ঞতা বাড়তি যোগ্যতা হিসেবে কাজে দেয়।’
কল সেন্টারে চাকরি করতে হলে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে যেকোনো বিষয়ে পড়লেই আবেদন করা যায়। শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি বাংলা ও ইংরেজিতে ভাষাজ্ঞান, পোশাক, আচরণ, শুদ্ধ উচ্চারণ, ভালো কণ্ঠস্বর ইত্যাদিসহ কম্পিউটার চালনায় মৌলিক জ্ঞান থাকতে হবে।
আমাদের দেশে বর্তমানে কল সেন্টারগুলোতে দুই ধরনের সেবা দেওয়া হয়। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সেবা। কল সেন্টারে কর্মরত ব্যক্তিদের প্রধান কাজ হচ্ছে গ্রাহকের সঠিক সেবা নিশ্চিত করা। গ্রাহকদের ফোনের মাধ্যমে সেবা দেওয়াই কল সেন্টারের প্রধান কাজ। অনেক কল সেন্টার ঘণ্টা হিসেবে বেতন দেয়। আবার কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান মাসিক হিসেবেও বেতন দিয়ে থাকে। বেতনের বাইরেও যাতায়াত ভাতা, ছুটি, চিকিৎসাসহ ইত্যাদি ভাতা প্রদান করা হয়।
বিস্তারিত যোগাযোগ: বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য)
ফোন: ০১৯৭১-১২২২২৬, ওয়েব:
www.bacco.org.bd

বর্তমান সময়ে বেশির ভাগ শিক্ষার্থীই পড়াশোনার পাশাপাশি খণ্ডকালীন বিভিন্ন কাজ করতে চান। আর তরুণদের পছন্দসই একটি পেশা হচ্ছে কল সেন্টারের চাকরি। বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং (বিপিও) নিয়ে আগামী ৯ ও ১০ ডিসেম্বর ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এই সম্মেলনে ২০০ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন কল সেন্টারের চাকরির নিয়োগপত্র দেওয়া হবে।
সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য) যৌথভাবে এ আয়োজন করছে। বিপিওকে মূল মাধ্যমে নিয়ে আসা, দেশের তরুণদের বেশি করে এই খাতে আগ্রহী করে তোলা এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে বিপিও খাতের অবস্থানকে তুলে ধরতে এ সম্মেলন আয়োজন করা হচ্ছে বলে বাক্য সূত্রে থেকে জানা গেছে। এতে ১০টি দেশের প্রতিনিধি, বিশেষজ্ঞ ও উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
বাক্যর সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘এই সম্মেলনে আমরা ২০০ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন কল সেন্টারের চাকরির নিয়োগপত্র দেব।’ তিনি বলেন, ‘দেশের ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় সাত হাজারের মতো সিভি সংগ্রহ করা হবে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যারিয়ার ক্লাব ও সেমিনারের মাধ্যমে এসব সিভি সংগ্রহ করা হবে।
এর পাশাপাশি সিভি ইমেইলেও পাঠানো যাবে : carerr@bacco.org.bd এই ঠিকানায়। এসব কার্যক্রম চলবে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত। আর ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বিভিন্ন কল সেন্টারের মাধ্যমে সিভি যাচাই-বাছাই ও সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে ২০০ জনকে চূড়ান্তভাবে মনোনীত করা হবে।
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য) সূত্রে জানা গেছে, দেশে বিটিআরসির নিবন্ধিত কল সেন্টারের সংখ্যা ৮০টির বেশি। আর বাক্যর নিবন্ধিত কল সেন্টারের সংখ্যা ৭১। এসব কল সেন্টারে প্রায় ২৩ হাজারের বেশি লোক কাজ করছেন। বর্তমানে বিভিন্ন মোবাইল অপারেটর কোম্পানিসহ বড় বড় প্রতিষ্ঠানে এসব কল সেন্টার তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে চুক্তিভিত্তিক কাজ করছে। ফলে বাড়ছে এসব কল সেন্টারের সংখ্যা। তাই এ খাতে চাকরির সুযোগও বাড়ছে। এসব কল সেন্টারে খণ্ডকালীন চাকরির সুযোগ রয়েছে।
ডিজিকন টেকনোলজিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াহিদ শরীফ জানান, বর্তমানে তাঁদের এখানে পাঁচ শতাধিক লোক কাজ করছেন। ১৬টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাঁরা ইতিমধ্যেই তৃতীয় পক্ষ হিসেবে কাজ করছেন। তিনি বলেন, ‘প্রতিবছরই আমরা দেড় থেকে দুই হাজার লোক নিয়োগ করে থাকি। বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থীদেরও লেখাপড়ার পাশাপাশি এ চাকরিতে সুযোগ আছে।
পড়াশোনা শেষে অন্য চাকরিতে ঢোকার ক্ষেত্রেও এই চাকরির অভিজ্ঞতা বাড়তি যোগ্যতা হিসেবে কাজে দেয়।’
কল সেন্টারে চাকরি করতে হলে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে যেকোনো বিষয়ে পড়লেই আবেদন করা যায়। শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি বাংলা ও ইংরেজিতে ভাষাজ্ঞান, পোশাক, আচরণ, শুদ্ধ উচ্চারণ, ভালো কণ্ঠস্বর ইত্যাদিসহ কম্পিউটার চালনায় মৌলিক জ্ঞান থাকতে হবে।
আমাদের দেশে বর্তমানে কল সেন্টারগুলোতে দুই ধরনের সেবা দেওয়া হয়। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সেবা। কল সেন্টারে কর্মরত ব্যক্তিদের প্রধান কাজ হচ্ছে গ্রাহকের সঠিক সেবা নিশ্চিত করা। গ্রাহকদের ফোনের মাধ্যমে সেবা দেওয়াই কল সেন্টারের প্রধান কাজ। অনেক কল সেন্টার ঘণ্টা হিসেবে বেতন দেয়। আবার কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান মাসিক হিসেবেও বেতন দিয়ে থাকে। বেতনের বাইরেও যাতায়াত ভাতা, ছুটি, চিকিৎসাসহ ইত্যাদি ভাতা প্রদান করা হয়।
বিস্তারিত যোগাযোগ: বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য)
ফোন: ০১৯৭১-১২২২২৬, ওয়েব:
www.bacco.org.bd
Thursday, 12 November 2015
এসিআই’র প্রতারণায় ধ্বংস হয়ে গেলো একটি সম্ভাবনাময় দেশি শিল্প
শীর্ষ কাগজের সৌজন্যে :

এ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (এসিআই) গ্রুপের ষড়যন্ত্রে সমূলে ধ্বংস হয়ে গেলো একটি দেশি সম্ভাবনাময় শিল্প প্রতিষ্ঠান ‘নিম ল্যাবরেটরিজ’। বাংলাদেশের একজন গবেষক নিম গাছকে কাজে লাগিয়ে নিজস্ব ফর্মূলায় ৩২টি আইটেম তৈরি করতে সক্ষম হন। যা একদিকে ছিলো অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময়, অন্যদিকে পরিবেশবান্ধবও বটে। এসব আইটেম উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের জন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘নিম ল্যাবরেটরিজ (প্রা.) লিমিটেড’ নামে কোম্পানিটি। এটি নিয়ে তিনি ক্রমশঃ এগুচ্ছিলেনও। কিন্তু, হেরে গেলেন ষড়যন্ত্রের কাছে। ভারতীয় কোম্পানির সঙ্গে যোগসাজশে এসিআই গ্রুপ নিম ল্যাবরেটরিজ নামে এ প্রতিষ্ঠানটিকে নিশ্চিত ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে। এক্ষেত্রে এসিআই’র বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগও রয়েছে। জানা গেছে, এসিআই’র চরম প্রতারণার শিকার গবেষক ড. এম এ হাকিম। যিনি নিম ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা। ড. হাকিমের গবেষণায় উদ্ভাবিত প্রাকৃতিক প্রসাধনী, হারবাল মেডিসিন, জৈব সার ও জৈব কীটনাশক প্রভৃতি নিরাপদ স্বাস্থ্য পরিচর্যা, জৈব কৃষি উৎপাদনে ব্যবহৃত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায়ও ভূমিকা রাখছিলো। এর সম্প্রসারণ ও উদ্ভাবিত প্রযুক্তি বাণিজ্যিকীকরণের জন্যই তিনি নিম ল্যাবরেটরিজ নামে কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করেন। কোম্পানিটির মাধ্যমে ড. হাকিম তার উদ্ভাবিত নিম টুথপেস্ট, টুথ পাউডার, নিম সাবান, নিম শ্যাম্পু, ফেইস ওয়াশ, নিম জৈব কীটনাশক ও সারসহ বেশ কিছু পণ্য বাজারজাত করেন। সেনাবাহিনীর সিএসডি, আড়ং, আগোরা, নন্দন, এসএস মার্টের মতো বেশ কিছু আউটলেট এবং দেশের স্বনামধন্য বিপণি বিতানে এসব পণ্য বিক্রয় হচ্ছিলো। এসিআই গ্রুপের মালিকানাধীন ‘স্বপ্ন’ আউটলেটেও এসব পণ্য সরবরাহ করত নিম ল্যাবরেটরিজ। জনপ্রিয়তার কারণে দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশেও কম-বেশি রফতানি হতে থাকে এসব পণ্য। কিন্তু অর্থাভাবে ব্যাপক আঙ্গিকে বাজারজাতকরণের প্রক্রিয়া কিছুটা বাধাগ্রস্থ হচ্ছিলো। আর সেই সুযোগটিই নেয় এসিআই। সূত্র জানায়, ভারতের ডাবর ইন্ডিয়া লিমিটেডসহ বিভিন্ন বিদেশি কোম্পানির উৎপাদিত প্রোডাক্ট বাংলাদেশে বাজারজাতকরণের দায়িত্বে রয়েছে এসিআই। কিন্তু, এসিআই’র আমদানি করা প্রোডাক্টের চেয়ে দেশীয় নিম ল্যাবরেটরিজের উৎপাদিত প্রোডাক্ট ক্রমেই জনপ্রিয় উঠছিলো ক্রেতাদের কাছে। এতে বাজার হারাচ্ছিল বিদেশ থেকে আনা এসিআই’র প্রোডাক্টসমূহ। আর প্রোডাক্টের এই জনপ্রিয়তাই নিম ল্যাবরেটরিজের জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়। প্রতিষ্ঠানটি শিকার হয় এসিআই’র চক্রান্তের। সূত্র জানায়, এমন এক পরিস্থিতিতে এসিআই’র মালিকানাধীন স্বপ্ন আউটলেটে নিম পণ্য সরবরাহের সূত্র ধরে ড. হাকিমের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এসিআই লিমিটেডেরই চেয়ারম্যান এম আনিস উদ দৌলা। এক পর্যায়ে সাক্ষাতও ঘটে তাদের। সাক্ষাতে ড. হাকিমের কাছে এসিআই মালিক জানতে চান যে, চাহিদা থাকা সত্ত্বেও আসলে কেন ড. হাকিম এসব পণ্য ব্যাপকহারে বাজারজাত করছেন না। এসময় ড. হাকিম অকপটে নিজের আর্থিক দুর্বলতার কথা স্বীকার করেন। এসিআই চেয়ারম্যান আনিস উদ দৌলাকে বলেন, আমি একজন গবেষক, ব্যবসায়ী নই। আমার কোনো ভালো সহযোগীও নেই। পণ্য রাতারাতি ব্যাপকহারে বাজারজাতকরণের মতো পর্যাপ্ত অর্থ আমার হাতে নেই। তাই ক্রমান্বয়ে এগুচ্ছি। ড. হাকিমের এই দুর্বলতার সুযোগ লুফে নেন এসিআই লিমিটেডের চেয়ারম্যান। ড. হাকিমকে এসিআই’র সঙ্গে ব্যবসা করার আকর্ষণীয় প্রস্তাব দেন তিনি। এতে বলা হয়, “উদ্ভাবিত ফর্মুলা ও পণ্যগুলোর ভবিষ্যত অত্যন্ত উজ্জ্বল। এসিআই’র সহযোগিতায় নিম ল্যাবরেটরিজ দেশে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বৃহৎ প্রতিষ্ঠান হিসেবে দ্রুত আবির্ভূত হবে। উদ্ভাবক হিসেবে ড. হাকিমের খ্যাতি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে।” দুরভিসন্ধি বুঝতে না পেরে দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারের এমন প্রস্তাবে উৎফুল্ল হয়ে সম্মতি দেন ড. হাকিম। প্রথমেই এসিআই ফর্মুলেশনসের কাছে নিম ল্যাবরেটরিজের ৫১ শতাংশ শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু পরে ড. হাকিমকে ৭৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব দেয় এসিআই। ড. হাকিমকে এসিআই চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে বোঝানো হয়, আপনি যেহেতু গবেষক তাই ব্যবস্থাপনা বা ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের দিকে না থেকে গবেষণাক্ষেত্রেই আপনার বেশি মনোযোগ দেওয়া উচিত। এই যুক্তি দেখিয়েই নিম ল্যাবরেটরিজের ৭৫ ভাগ শেয়ার এসিআই’র হাতে ছেড়ে দেয়ার কথা বলা হয়। প্রতিষ্ঠানটির পণ্য ব্যাপকভাবে বাজারজাত করা হলে বিশাল অংকের লাভ হবে। এর ২৫ ভাগ শেয়ারেই প্রচুর অর্থ পাওয়া যাবে। পাশাপাশি গবেষণাকর্মেও ভালোভাবে মনোযোগ দেয়া যাবে। এমন কথা ড. হাকিমকে বোঝানো হয় এসিআই’র পক্ষ থেকে। এসিআই চেয়ারম্যানের সুদূরপ্রসারী এই চাতুরতা বুঝতে পারেননি ড. হাকিম। সরল বিশ্বাসে, নিজের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে দেশে-বিদেশে সম্প্রসারণ এবং পর্যাপ্ত অর্থপ্রাপ্তির আশায় এসিআই ফর্মুলেশনসের কাছে নামমাত্র মূল্যে নিম ল্যাবরেটরিজের ৭৫ শতাংশ শেয়ার হস্তান্তরে রাজি হয়ে যান তিনি। শেয়ার হস্তান্তরের পর ব্যাপকহারে উৎপাদনের কথা বলে ড. হাকিমের উদ্ভাবিত ৩২ টি ফর্মুলাসহ প্রয়োজনীয় উৎপাদন পদ্ধতি (ফ্লোচার্ট) ও গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস হাতিয়ে নেয় এসিআই। সুকৌশলে এসিআই’র অধীনে নিয়ে যাওয়া হয় নিম ল্যাবরেটরিজের অফিস, কারখানা ও উৎপাদনযন্ত্রগুলো। কারখানা স্থানান্তর করা হয় এসিআই’র শিল্প কারখানা গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরে। নিম ল্যাবরেটরিজের ঠিকানা হয় এসিআই ফর্মুলেশনসের অফিসে। ড. হাকিমের কাছ থেকে নিম ল্যাবরেটরিজের ব্যবস্থাপনার কর্তৃত্বও হাতিয়ে নেওয়া হয়। কনসালটেন্ট নিয়োগ দিয়ে উৎপাদন সমন্বয়, গুণগতমান রক্ষা এবং নতুন দ্রব্য সামগ্রী উদ্ভাবনের দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলে ড. হাকিমকে পদত্যাগ করানো হয় নিজের প্রতিষ্ঠিত নিম ল্যাবরেটরিজের পরিচালকের পদ থেকেও। গবেষণা কর্ম চালিয়ে নিয়ে উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রাখতে সহযোগিতার আশ্বাসও দেওয়া হয় নতুন নিয়োগপত্রে। এসিআই’র অসৎ উদ্দেশ্যের অংশ হিসেবে নিয়োগ ও সমঝোতা চুক্তিতে শর্ত জুড়ে দিয়ে বিলুপ্ত করে দেওয়া হয় ড. হাকিমের মালিকানাধীন আরো ৯টি প্রতিষ্ঠান। সেইসঙ্গে গবেষণা ও উন্নয়ন বিষয়ক কনসালটেন্ট পদে নিয়োগের অজুহাত দেখিয়ে ৫ বছরের জন্য কেড়ে নেওয়া হয় একই ধরনের কোনো ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হওয়ার ক্ষমতা। এরপরই নিম ল্যাবরেটরিজ নিয়ে শুরু হয় এসিআই চেয়ারম্যানের সুদূরপ্রসারী অসৎ উদ্দেশ্যের বাস্তবায়ন। নিজ কোম্পানির পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করিয়ে, অফিস ও ফ্যাক্টরি আয়ত্বে নেওয়ার পর ড. হাকিমের সঙ্গে শুরু হয় এসিআই’র নানা রকম ছলচাতুরি। চুক্তি অনুযায়ী, ফ্রেশ ক্যাপিটাল হিসেবে কোম্পানি ফান্ডে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা জমা রাখার কথা থাকলেও জমা না দিয়ে টালবাহানা করতে থাকে এসিআই। নিম ল্যাবরেটরিজের ব্যবস্থাপনা কেড়ে নিয়ে ২০১৩ সালের ১ ডিসেম্বর ড. হাকিমকে এর কনসালটেন্ট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলেও কোম্পানির সবধরনের কর্মকাণ্ড থেকে নানা কূটকৌশলে বিরত রাখা হয় তাকে। ড. হাকিমের সর্বস্ব দখলে নিয়ে রহস্যজনকভাবে নিম পণ্যসামগ্রীর উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ নিয়ে গড়িমসি শুরু করে এসিআই। ফলে প্রতিদিনই বাজার হারাতে থাকে নিম ল্যাবরেটরিজের প্রোডাক্ট। বিপুল কাস্টমার থাকা সত্ত্বেও দেশীয় এই কোম্পানিটির প্রোডাক্ট না পেয়ে বিভিন্ন আউটলেট থেকে অভিযোগ আসতে শুরু করে ড. হাকিমের কাছে। প্রোডাক্টের সরবরাহ না থাকায় নিম ল্যাবরেটরিজকে ব্ল্যাক লিস্টেড করার প্রস্তুতি নেয় আউটলেটগুলো। এরইমধ্যে নিম ল্যাবরেটরিজের উৎপাদিত প্রোডাক্টের অনুরূপ বিদেশি প্রোডাক্ট ব্যাপকহারে আমদানি করে বাজারজাত করতে থাকে এসিআই। কোনো কারণ ছাড়াই শতভাগ দেশীয় প্রযুক্তি ও কাঁচামালে উৎপাদিত আন্তর্জাতিক মানের এই প্রোডাক্টের উৎপাদন বন্ধ রেখে তিলে তিলে ধ্বংস করতে থাকে বিপুল সম্ভাবনাময় এ ব্র্যান্ডটিকে। ব্যবসায়ীক শর্ত ভঙ্গসহ এসিআই’র এমন কর্মকাণ্ডে হতাশ হয়ে চেয়ারম্যান আনিস উদ দৌলার সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা করেন ড. হাকিম। কিন্তু দেখা করা তো দূরের কথা, কোনোভাবে এসিআই মালিকের সঙ্গে যোগাযোগও করতে পারেননি ড. হাকিম। তারপরেও চেষ্টা অব্যাহত রাখেন ড. হাকিম। কিন্তু সাক্ষাৎ না দিয়ে কয়েক দফায় তাকে ফিরিয়ে দেন এসিআই চেয়ারম্যান। উপায়ন্তর না দেখে এক পর্যায়ে নিম ল্যাবরেটরিজের ২৫ শতাংশ শেয়ার হোল্ডার হিসেবে ‘প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ড ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে’ এমন অভিযোগ তুলে এসিআই চেয়ারম্যান বরাবর চিঠি লেখেন ড. হাকিম। ওই চিঠিতে এসিআই চেয়ারম্যানকে তিনি জানান, ‘নিম ল্যাবরেটরিজের ব্যাপক চাহিদা সম্বলিত প্রোডাক্ট উৎপাদন ও বাজারজাত না করায় একদিকে যেমন ব্র্যান্ড ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অপরদিকে কোম্পানির আর্থিক ঝুঁকিও বেড়ে যাচ্ছে।’ চিঠিতে ড. হাকিম এসিআই চেয়ারম্যানকে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে তা সমাধানের অনুরোধ জানান। কিন্তু এতেও সাড়া মেলেনা এসিআই কর্তৃপক্ষের। এ রকম কয়েক দফায় নিম ল্যাবরেটরিজের প্রোডাক্ট উৎপাদন বন্ধের কারণ জানতে চেয়ে চিঠি লিখেও এসিআই চেয়ারম্যান আনিস উদ দৌলার সাড়া পাননি ড. হাকিম। পাননি দেখাও। অপরদিকে দেখা গেছে, কূটকৌশলে নিজেদের হাতে নিম ল্যাবরেটরিজের ব্যবস্থাপনা হাতিয়ে নেয়ার পর এর উৎপাদন বন্ধ রেখে বিদেশ থেকে আরো ব্যাপকহারে ভেষজ প্রোডাক্ট এনে বাজারজাত করেছে এসিআই। এসব তথ্য ড. হাকিমকে আরো হতাশ করে। তিনি হতাশ হয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মহলে চিঠি লিখে বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরেন এবং এ থেকে উত্তোরণের জন্য হস্তক্ষেপ চান। গত ডিসেম্বরে শীর্ষ নিউজ ডটকমে এসিআই’র এসব কর্মকাণ্ডের ওপর বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে প্রতিষ্ঠানটি কিছুটা নড়েচড়ে উঠেছিল। কিন্তু আবার থেমে যায় প্রতিষ্ঠান চালু করার তৎপরতা। ফলে বলা যায়, তিলে তিলে ধ্বংস হয়ে গেছে ব্যাপক সম্ভাবনাময় দেশীয় নিম ল্যাবরেটরিজ নামক ব্র্যান্ড। এসিআই এসব প্রোডাক্ট আমদানি করে বাজারজাত করার কারণে বিদেশে চলে যাচ্ছে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা। অন্যদিকে জাপান ও মালয়েশিয়ায় নিম ল্যাবরেটরিজের প্রোডাক্ট বাজারজাতকরণের লাইসেন্স থাকা সত্ত্বেও দেশি প্রোডাক্ট রফতানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ জানা গেছে, নিম ল্যাবরেটরিজ নামক প্রতিষ্ঠিত শিল্প প্রতিষ্ঠানটি এখন পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এই ব্র্যান্ডের ৩২টি প্রোডাক্টের মধ্যে ৪টি প্রোডাক্ট মাত্র সীমিত আকারে বাজারজাত করা হয়েছে। অন্য জায়গা থেকে এই ৪টি প্রোডাক্ট উৎপাদন করা হয়। যেহেতু এই ৪টি প্রোডাক্টের বিকল্প বিদেশি কোন পণ্য নেই। তাই এগুলো নিম ল্যাবরেটরিজের ব্র্যান্ডে বাজারজাত করা হচ্ছে। অন্য প্রোডাক্টগুলোর বিকল্প বিদেশি পণ্য আমদানি করে এনে বাজারজাত করছে এসিআই। - বিশেষ প্রতিবেদক
সত্বাধিকারঃ 2015 Sheershanews. সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
এ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (এসিআই) গ্রুপের ষড়যন্ত্রে সমূলে ধ্বংস হয়ে গেলো একটি দেশি সম্ভাবনাময় শিল্প প্রতিষ্ঠান ‘নিম ল্যাবরেটরিজ’। বাংলাদেশের একজন গবেষক নিম গাছকে কাজে লাগিয়ে নিজস্ব ফর্মূলায় ৩২টি আইটেম তৈরি করতে সক্ষম হন। যা একদিকে ছিলো অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময়, অন্যদিকে পরিবেশবান্ধবও বটে। এসব আইটেম উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের জন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘নিম ল্যাবরেটরিজ (প্রা.) লিমিটেড’ নামে কোম্পানিটি। এটি নিয়ে তিনি ক্রমশঃ এগুচ্ছিলেনও। কিন্তু, হেরে গেলেন ষড়যন্ত্রের কাছে। ভারতীয় কোম্পানির সঙ্গে যোগসাজশে এসিআই গ্রুপ নিম ল্যাবরেটরিজ নামে এ প্রতিষ্ঠানটিকে নিশ্চিত ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে। এক্ষেত্রে এসিআই’র বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগও রয়েছে। জানা গেছে, এসিআই’র চরম প্রতারণার শিকার গবেষক ড. এম এ হাকিম। যিনি নিম ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা। ড. হাকিমের গবেষণায় উদ্ভাবিত প্রাকৃতিক প্রসাধনী, হারবাল মেডিসিন, জৈব সার ও জৈব কীটনাশক প্রভৃতি নিরাপদ স্বাস্থ্য পরিচর্যা, জৈব কৃষি উৎপাদনে ব্যবহৃত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায়ও ভূমিকা রাখছিলো। এর সম্প্রসারণ ও উদ্ভাবিত প্রযুক্তি বাণিজ্যিকীকরণের জন্যই তিনি নিম ল্যাবরেটরিজ নামে কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করেন। কোম্পানিটির মাধ্যমে ড. হাকিম তার উদ্ভাবিত নিম টুথপেস্ট, টুথ পাউডার, নিম সাবান, নিম শ্যাম্পু, ফেইস ওয়াশ, নিম জৈব কীটনাশক ও সারসহ বেশ কিছু পণ্য বাজারজাত করেন। সেনাবাহিনীর সিএসডি, আড়ং, আগোরা, নন্দন, এসএস মার্টের মতো বেশ কিছু আউটলেট এবং দেশের স্বনামধন্য বিপণি বিতানে এসব পণ্য বিক্রয় হচ্ছিলো। এসিআই গ্রুপের মালিকানাধীন ‘স্বপ্ন’ আউটলেটেও এসব পণ্য সরবরাহ করত নিম ল্যাবরেটরিজ। জনপ্রিয়তার কারণে দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশেও কম-বেশি রফতানি হতে থাকে এসব পণ্য। কিন্তু অর্থাভাবে ব্যাপক আঙ্গিকে বাজারজাতকরণের প্রক্রিয়া কিছুটা বাধাগ্রস্থ হচ্ছিলো। আর সেই সুযোগটিই নেয় এসিআই। সূত্র জানায়, ভারতের ডাবর ইন্ডিয়া লিমিটেডসহ বিভিন্ন বিদেশি কোম্পানির উৎপাদিত প্রোডাক্ট বাংলাদেশে বাজারজাতকরণের দায়িত্বে রয়েছে এসিআই। কিন্তু, এসিআই’র আমদানি করা প্রোডাক্টের চেয়ে দেশীয় নিম ল্যাবরেটরিজের উৎপাদিত প্রোডাক্ট ক্রমেই জনপ্রিয় উঠছিলো ক্রেতাদের কাছে। এতে বাজার হারাচ্ছিল বিদেশ থেকে আনা এসিআই’র প্রোডাক্টসমূহ। আর প্রোডাক্টের এই জনপ্রিয়তাই নিম ল্যাবরেটরিজের জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়। প্রতিষ্ঠানটি শিকার হয় এসিআই’র চক্রান্তের। সূত্র জানায়, এমন এক পরিস্থিতিতে এসিআই’র মালিকানাধীন স্বপ্ন আউটলেটে নিম পণ্য সরবরাহের সূত্র ধরে ড. হাকিমের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এসিআই লিমিটেডেরই চেয়ারম্যান এম আনিস উদ দৌলা। এক পর্যায়ে সাক্ষাতও ঘটে তাদের। সাক্ষাতে ড. হাকিমের কাছে এসিআই মালিক জানতে চান যে, চাহিদা থাকা সত্ত্বেও আসলে কেন ড. হাকিম এসব পণ্য ব্যাপকহারে বাজারজাত করছেন না। এসময় ড. হাকিম অকপটে নিজের আর্থিক দুর্বলতার কথা স্বীকার করেন। এসিআই চেয়ারম্যান আনিস উদ দৌলাকে বলেন, আমি একজন গবেষক, ব্যবসায়ী নই। আমার কোনো ভালো সহযোগীও নেই। পণ্য রাতারাতি ব্যাপকহারে বাজারজাতকরণের মতো পর্যাপ্ত অর্থ আমার হাতে নেই। তাই ক্রমান্বয়ে এগুচ্ছি। ড. হাকিমের এই দুর্বলতার সুযোগ লুফে নেন এসিআই লিমিটেডের চেয়ারম্যান। ড. হাকিমকে এসিআই’র সঙ্গে ব্যবসা করার আকর্ষণীয় প্রস্তাব দেন তিনি। এতে বলা হয়, “উদ্ভাবিত ফর্মুলা ও পণ্যগুলোর ভবিষ্যত অত্যন্ত উজ্জ্বল। এসিআই’র সহযোগিতায় নিম ল্যাবরেটরিজ দেশে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বৃহৎ প্রতিষ্ঠান হিসেবে দ্রুত আবির্ভূত হবে। উদ্ভাবক হিসেবে ড. হাকিমের খ্যাতি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে।” দুরভিসন্ধি বুঝতে না পেরে দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারের এমন প্রস্তাবে উৎফুল্ল হয়ে সম্মতি দেন ড. হাকিম। প্রথমেই এসিআই ফর্মুলেশনসের কাছে নিম ল্যাবরেটরিজের ৫১ শতাংশ শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু পরে ড. হাকিমকে ৭৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব দেয় এসিআই। ড. হাকিমকে এসিআই চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে বোঝানো হয়, আপনি যেহেতু গবেষক তাই ব্যবস্থাপনা বা ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের দিকে না থেকে গবেষণাক্ষেত্রেই আপনার বেশি মনোযোগ দেওয়া উচিত। এই যুক্তি দেখিয়েই নিম ল্যাবরেটরিজের ৭৫ ভাগ শেয়ার এসিআই’র হাতে ছেড়ে দেয়ার কথা বলা হয়। প্রতিষ্ঠানটির পণ্য ব্যাপকভাবে বাজারজাত করা হলে বিশাল অংকের লাভ হবে। এর ২৫ ভাগ শেয়ারেই প্রচুর অর্থ পাওয়া যাবে। পাশাপাশি গবেষণাকর্মেও ভালোভাবে মনোযোগ দেয়া যাবে। এমন কথা ড. হাকিমকে বোঝানো হয় এসিআই’র পক্ষ থেকে। এসিআই চেয়ারম্যানের সুদূরপ্রসারী এই চাতুরতা বুঝতে পারেননি ড. হাকিম। সরল বিশ্বাসে, নিজের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে দেশে-বিদেশে সম্প্রসারণ এবং পর্যাপ্ত অর্থপ্রাপ্তির আশায় এসিআই ফর্মুলেশনসের কাছে নামমাত্র মূল্যে নিম ল্যাবরেটরিজের ৭৫ শতাংশ শেয়ার হস্তান্তরে রাজি হয়ে যান তিনি। শেয়ার হস্তান্তরের পর ব্যাপকহারে উৎপাদনের কথা বলে ড. হাকিমের উদ্ভাবিত ৩২ টি ফর্মুলাসহ প্রয়োজনীয় উৎপাদন পদ্ধতি (ফ্লোচার্ট) ও গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস হাতিয়ে নেয় এসিআই। সুকৌশলে এসিআই’র অধীনে নিয়ে যাওয়া হয় নিম ল্যাবরেটরিজের অফিস, কারখানা ও উৎপাদনযন্ত্রগুলো। কারখানা স্থানান্তর করা হয় এসিআই’র শিল্প কারখানা গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরে। নিম ল্যাবরেটরিজের ঠিকানা হয় এসিআই ফর্মুলেশনসের অফিসে। ড. হাকিমের কাছ থেকে নিম ল্যাবরেটরিজের ব্যবস্থাপনার কর্তৃত্বও হাতিয়ে নেওয়া হয়। কনসালটেন্ট নিয়োগ দিয়ে উৎপাদন সমন্বয়, গুণগতমান রক্ষা এবং নতুন দ্রব্য সামগ্রী উদ্ভাবনের দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলে ড. হাকিমকে পদত্যাগ করানো হয় নিজের প্রতিষ্ঠিত নিম ল্যাবরেটরিজের পরিচালকের পদ থেকেও। গবেষণা কর্ম চালিয়ে নিয়ে উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রাখতে সহযোগিতার আশ্বাসও দেওয়া হয় নতুন নিয়োগপত্রে। এসিআই’র অসৎ উদ্দেশ্যের অংশ হিসেবে নিয়োগ ও সমঝোতা চুক্তিতে শর্ত জুড়ে দিয়ে বিলুপ্ত করে দেওয়া হয় ড. হাকিমের মালিকানাধীন আরো ৯টি প্রতিষ্ঠান। সেইসঙ্গে গবেষণা ও উন্নয়ন বিষয়ক কনসালটেন্ট পদে নিয়োগের অজুহাত দেখিয়ে ৫ বছরের জন্য কেড়ে নেওয়া হয় একই ধরনের কোনো ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হওয়ার ক্ষমতা। এরপরই নিম ল্যাবরেটরিজ নিয়ে শুরু হয় এসিআই চেয়ারম্যানের সুদূরপ্রসারী অসৎ উদ্দেশ্যের বাস্তবায়ন। নিজ কোম্পানির পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করিয়ে, অফিস ও ফ্যাক্টরি আয়ত্বে নেওয়ার পর ড. হাকিমের সঙ্গে শুরু হয় এসিআই’র নানা রকম ছলচাতুরি। চুক্তি অনুযায়ী, ফ্রেশ ক্যাপিটাল হিসেবে কোম্পানি ফান্ডে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা জমা রাখার কথা থাকলেও জমা না দিয়ে টালবাহানা করতে থাকে এসিআই। নিম ল্যাবরেটরিজের ব্যবস্থাপনা কেড়ে নিয়ে ২০১৩ সালের ১ ডিসেম্বর ড. হাকিমকে এর কনসালটেন্ট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলেও কোম্পানির সবধরনের কর্মকাণ্ড থেকে নানা কূটকৌশলে বিরত রাখা হয় তাকে। ড. হাকিমের সর্বস্ব দখলে নিয়ে রহস্যজনকভাবে নিম পণ্যসামগ্রীর উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ নিয়ে গড়িমসি শুরু করে এসিআই। ফলে প্রতিদিনই বাজার হারাতে থাকে নিম ল্যাবরেটরিজের প্রোডাক্ট। বিপুল কাস্টমার থাকা সত্ত্বেও দেশীয় এই কোম্পানিটির প্রোডাক্ট না পেয়ে বিভিন্ন আউটলেট থেকে অভিযোগ আসতে শুরু করে ড. হাকিমের কাছে। প্রোডাক্টের সরবরাহ না থাকায় নিম ল্যাবরেটরিজকে ব্ল্যাক লিস্টেড করার প্রস্তুতি নেয় আউটলেটগুলো। এরইমধ্যে নিম ল্যাবরেটরিজের উৎপাদিত প্রোডাক্টের অনুরূপ বিদেশি প্রোডাক্ট ব্যাপকহারে আমদানি করে বাজারজাত করতে থাকে এসিআই। কোনো কারণ ছাড়াই শতভাগ দেশীয় প্রযুক্তি ও কাঁচামালে উৎপাদিত আন্তর্জাতিক মানের এই প্রোডাক্টের উৎপাদন বন্ধ রেখে তিলে তিলে ধ্বংস করতে থাকে বিপুল সম্ভাবনাময় এ ব্র্যান্ডটিকে। ব্যবসায়ীক শর্ত ভঙ্গসহ এসিআই’র এমন কর্মকাণ্ডে হতাশ হয়ে চেয়ারম্যান আনিস উদ দৌলার সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা করেন ড. হাকিম। কিন্তু দেখা করা তো দূরের কথা, কোনোভাবে এসিআই মালিকের সঙ্গে যোগাযোগও করতে পারেননি ড. হাকিম। তারপরেও চেষ্টা অব্যাহত রাখেন ড. হাকিম। কিন্তু সাক্ষাৎ না দিয়ে কয়েক দফায় তাকে ফিরিয়ে দেন এসিআই চেয়ারম্যান। উপায়ন্তর না দেখে এক পর্যায়ে নিম ল্যাবরেটরিজের ২৫ শতাংশ শেয়ার হোল্ডার হিসেবে ‘প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ড ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে’ এমন অভিযোগ তুলে এসিআই চেয়ারম্যান বরাবর চিঠি লেখেন ড. হাকিম। ওই চিঠিতে এসিআই চেয়ারম্যানকে তিনি জানান, ‘নিম ল্যাবরেটরিজের ব্যাপক চাহিদা সম্বলিত প্রোডাক্ট উৎপাদন ও বাজারজাত না করায় একদিকে যেমন ব্র্যান্ড ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অপরদিকে কোম্পানির আর্থিক ঝুঁকিও বেড়ে যাচ্ছে।’ চিঠিতে ড. হাকিম এসিআই চেয়ারম্যানকে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে তা সমাধানের অনুরোধ জানান। কিন্তু এতেও সাড়া মেলেনা এসিআই কর্তৃপক্ষের। এ রকম কয়েক দফায় নিম ল্যাবরেটরিজের প্রোডাক্ট উৎপাদন বন্ধের কারণ জানতে চেয়ে চিঠি লিখেও এসিআই চেয়ারম্যান আনিস উদ দৌলার সাড়া পাননি ড. হাকিম। পাননি দেখাও। অপরদিকে দেখা গেছে, কূটকৌশলে নিজেদের হাতে নিম ল্যাবরেটরিজের ব্যবস্থাপনা হাতিয়ে নেয়ার পর এর উৎপাদন বন্ধ রেখে বিদেশ থেকে আরো ব্যাপকহারে ভেষজ প্রোডাক্ট এনে বাজারজাত করেছে এসিআই। এসব তথ্য ড. হাকিমকে আরো হতাশ করে। তিনি হতাশ হয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মহলে চিঠি লিখে বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরেন এবং এ থেকে উত্তোরণের জন্য হস্তক্ষেপ চান। গত ডিসেম্বরে শীর্ষ নিউজ ডটকমে এসিআই’র এসব কর্মকাণ্ডের ওপর বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে প্রতিষ্ঠানটি কিছুটা নড়েচড়ে উঠেছিল। কিন্তু আবার থেমে যায় প্রতিষ্ঠান চালু করার তৎপরতা। ফলে বলা যায়, তিলে তিলে ধ্বংস হয়ে গেছে ব্যাপক সম্ভাবনাময় দেশীয় নিম ল্যাবরেটরিজ নামক ব্র্যান্ড। এসিআই এসব প্রোডাক্ট আমদানি করে বাজারজাত করার কারণে বিদেশে চলে যাচ্ছে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা। অন্যদিকে জাপান ও মালয়েশিয়ায় নিম ল্যাবরেটরিজের প্রোডাক্ট বাজারজাতকরণের লাইসেন্স থাকা সত্ত্বেও দেশি প্রোডাক্ট রফতানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ জানা গেছে, নিম ল্যাবরেটরিজ নামক প্রতিষ্ঠিত শিল্প প্রতিষ্ঠানটি এখন পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এই ব্র্যান্ডের ৩২টি প্রোডাক্টের মধ্যে ৪টি প্রোডাক্ট মাত্র সীমিত আকারে বাজারজাত করা হয়েছে। অন্য জায়গা থেকে এই ৪টি প্রোডাক্ট উৎপাদন করা হয়। যেহেতু এই ৪টি প্রোডাক্টের বিকল্প বিদেশি কোন পণ্য নেই। তাই এগুলো নিম ল্যাবরেটরিজের ব্র্যান্ডে বাজারজাত করা হচ্ছে। অন্য প্রোডাক্টগুলোর বিকল্প বিদেশি পণ্য আমদানি করে এনে বাজারজাত করছে এসিআই। - বিশেষ প্রতিবেদক
সত্বাধিকারঃ 2015 Sheershanews. সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
Tuesday, 10 November 2015
পাপ বাপ কেও ছাড়ে না।
প্রায় বিশ মিনিট চেষ্টা। কিন্তু অনড় হয়ে রইলেন এই সেনা সদস্য। বারবার সেনা সদস্য বলছেন, হয় একজন মটরসাইকেলে যান অথবা দুইজনই হেলমেট মাথায় দিন। হাস্যকর কিছু যুক্তি দিচ্ছিলেন দুই পুলিশ ভাই। কিন্তু লাভ হয়নি। হেলমেট ছাড়া এক পুলিশ ভাই মটরসাইকেল থেকে নেমে গেলেন। ফোন দিয়ে একটি প্রাইভেট গাড়ি এনে তাতে চড়ে সেনানিবাসের ভেতরে প্রবেশ করলেন।
facebook hack থেকে সাবধান। 2016 হ্যাকিং এর নতুন কৌশল।
facebook hack থেকে সাবধান। ২০১৬ হ্যাকিং এর নতুন কৌশল। ২০১৫ তে শুরু করছে, হ্যাকাররা সফল হলে ২০১৬ তে হাজার হাজার ফেসবুক আইডি
হ্যাকিং এর শিকার হবে।
১০/১১/২০১৫ রাত ৯.৪৪ মিনিট থেকে ৯.৪৬ মিনিটের আমার মোবাইল এ ৪ মেসেজ আসলো। সব গুল মেসেজ একই।
৩২৬৬৫ থেকে মেসেজটা আসলো।
32665
১৩৯৬১৮ হল আমার facebook রিসেট পার্সওয়াড কোড, অথবা রিসেট পার্সওয়াড এর একটা লিঙ্ক https://fb.com/ ব্লালাব্লালা... দিয়েছে।
সতর্কতাঃ
এটা একটা ফেক লিঙ্ক অথবা রিসেট পার্সওয়াড। কেউ ভুল করেও অই কোড, অথবা রিসেট পার্সওয়া দিবেন্না। এটা হ্যাকিং এর নতুন কৌশল। আশা করি সবাই সতর্ক থাকবেন।
এই পদ্ধতি তে তার সকল ফেসবুক ইউজারদের মামু বানাবে। তাই সকল কে বলবো কেও মামু হয়েন না। নিজে জানুন , পাশের জন কে জানা।
সচেতন হউন।
হ্যাকিং এর শিকার হবে।
১০/১১/২০১৫ রাত ৯.৪৪ মিনিট থেকে ৯.৪৬ মিনিটের আমার মোবাইল এ ৪ মেসেজ আসলো। সব গুল মেসেজ একই।
৩২৬৬৫ থেকে মেসেজটা আসলো।
32665
১৩৯৬১৮ হল আমার facebook রিসেট পার্সওয়াড কোড, অথবা রিসেট পার্সওয়াড এর একটা লিঙ্ক https://fb.com/ ব্লালাব্লালা... দিয়েছে।
সতর্কতাঃ
এটা একটা ফেক লিঙ্ক অথবা রিসেট পার্সওয়াড। কেউ ভুল করেও অই কোড, অথবা রিসেট পার্সওয়া দিবেন্না। এটা হ্যাকিং এর নতুন কৌশল। আশা করি সবাই সতর্ক থাকবেন।
সচেতন হউন।
সবচেয়ে বড় ব্যাবসা মাজার ব্যাবসা.......একসাথে এত টাকা
হ্যা বস্তা ভর্তি টাকা মাজারের জমজমাট ব্যাবসা ।
এটা কোন আবর্জনার স্তুপ নয়। মাজারে দান করা মাজার পাগল ভন্ডদের দান করা টাকার পাহাড় ।
কেউ কোনদিন মাজারে টাকা দান করবেন না, এই টাকা গুলো আত্বসাত করে কিছু ভন্ড ....।
অন্যথায় এই টাকা কিছু গরীব, এতিম, মিসকীনদের দান করুন তাতে আল্লাহ চাইলে আপনার মঙ্গল হতে পারে.....।
এটা কোন আবর্জনার স্তুপ নয়। মাজারে দান করা মাজার পাগল ভন্ডদের দান করা টাকার পাহাড় ।
কেউ কোনদিন মাজারে টাকা দান করবেন না, এই টাকা গুলো আত্বসাত করে কিছু ভন্ড ....।
অন্যথায় এই টাকা কিছু গরীব, এতিম, মিসকীনদের দান করুন তাতে আল্লাহ চাইলে আপনার মঙ্গল হতে পারে.....।
Saturday, 7 November 2015
জেমস কিনুন Clash Of Clans (COC) এর।
Fiends,, আপনিও
জানেন আমিও জানি Clash Of Clans এর কোনো
হ্যাক নাই। আজ
আমি আপনাদের যেটা শিখাবো সেটাও
কোনো হ্যাক নয়।
এখানে আপনি বৈধ ভাবে
ডলার ইনকাম করবেন এবং
তা জেমস কিনতে ব্যয়
করবেন। আমিও
এভাবেই আমার 4th Builder কিনছি....কারন প্রথম এর
দিকে অনেক জেমস নষ্ট
করছিলাম এই ট্রিকস টা
সম্পূর্ণ কার্যকর . No jailbreak and no
Hack। বিশ্বাস না
হলে ট্রাই করে দেখেন...
তাহলে শুরু করা যাকঃ
১ম ধাপঃ প্রথম এ
WHAFF Apps টা Play store
থেকে নামান...
২য়
ধাপঃ
Apps টা
রান
করুন...
উপরের
ডান
পাশে
LogIn আছে।সেখানে
ক্লিক
করে
আপনার
FB Mail Password দিন (যদি হ্যাক
হওয়ার
ভয়
থাকে
তাহলে
একটা
আইডি
খুলে
ট্রাই
করেন। ইমেইল
টা
যেন
ভালো
থাকে)
৩য় ধাপঃ Login হলে একটা code চাইবে, সেখানে এই Code টা দিতে পারেন BT64591 ( কোড টি দেওয়ার সময় খেয়াল রাখবেন বা আগে এই কোড টি খাতায় লিখে রাখতে পারেন। তাহলে আপনার অ্যাকাউন্ট টি অ্যাক্টিভ হবে। কোডটি দেওয়ার জন্য আপনি .3$ পাবেন। আর অ্যাকাউন্ট খুলার জন্য .2$ পাবেন। অর্থাৎ আপনি মোট .5 $ ফ্রী পাবেন।
৪র্থ ধাপঃ এবার আপনার ডলার ইনকাম এর পালা। আপনি আপনার ফ্রেন্ড ইনভাইট করেন আর .3 $ income করেন। ৩০ জন কে ইনভাইট করলে আপনি ১০$ পাবেন তাহলে payout করতে পাবেন। একদম ইজি। আমি ৪ দিনে ১০ ডলার ইনকাম করেছি।
কিভাবে ডলার দিয়ে জেমস কিনবেনঃ
১। পাশে অপশন এ গিয়ে পে আউট এ ক্লিক করুন
২। ১০$ Google gift card এ ক্লিক করুন। তারপর রিকুয়েস্ট চলে যাবে... ২-৩ ঘন্টা পর আপনি গিফট কার্ড কোড পেয়ে যাবেন। এটি Reward History তে গিয়ে চেক করতে পারবেন।
৩। code পেয়ে গেলে Play Store অন করে Manu>"REDEEM"
৪। WHAFF Rewards এর কোড টি বসিয়ে ওকে ক্লিক করুন। আর জেমস কিনার জন্য COC এ ঢুকে শপ এ যেয়ে কিনতে হবে।।
2015/11/7
৩য় ধাপঃ Login হলে একটা code চাইবে, সেখানে এই Code টা দিতে পারেন BT64591 ( কোড টি দেওয়ার সময় খেয়াল রাখবেন বা আগে এই কোড টি খাতায় লিখে রাখতে পারেন। তাহলে আপনার অ্যাকাউন্ট টি অ্যাক্টিভ হবে। কোডটি দেওয়ার জন্য আপনি .3$ পাবেন। আর অ্যাকাউন্ট খুলার জন্য .2$ পাবেন। অর্থাৎ আপনি মোট .5 $ ফ্রী পাবেন।
৪র্থ ধাপঃ এবার আপনার ডলার ইনকাম এর পালা। আপনি আপনার ফ্রেন্ড ইনভাইট করেন আর .3 $ income করেন। ৩০ জন কে ইনভাইট করলে আপনি ১০$ পাবেন তাহলে payout করতে পাবেন। একদম ইজি। আমি ৪ দিনে ১০ ডলার ইনকাম করেছি।
কিভাবে ডলার দিয়ে জেমস কিনবেনঃ
১। পাশে অপশন এ গিয়ে পে আউট এ ক্লিক করুন
২। ১০$ Google gift card এ ক্লিক করুন। তারপর রিকুয়েস্ট চলে যাবে... ২-৩ ঘন্টা পর আপনি গিফট কার্ড কোড পেয়ে যাবেন। এটি Reward History তে গিয়ে চেক করতে পারবেন।
৩। code পেয়ে গেলে Play Store অন করে Manu>"REDEEM"
৪। WHAFF Rewards এর কোড টি বসিয়ে ওকে ক্লিক করুন। আর জেমস কিনার জন্য COC এ ঢুকে শপ এ যেয়ে কিনতে হবে।।
2015/11/7
Thursday, 5 November 2015
Wednesday, 4 November 2015
Subscribe to:
Comments (Atom)












