Wednesday, 27 March 2019

ধানমন্ডিতে চালু হলো চক্রাকার বাস সার্ভিস, জেনে নিন রুট ও স্টপেজ

এই সার্ভিস সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দা এবং যাত্রীদের জন্য স্বস্তিদায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চালু হয়েছে চক্রাকার বাস সার্ভিস। প্রাথমিক পর্যায়ে দুটি রুটে চারটি ডাবল ডেকার বিআরটিসি বাস চলবে। বুধবার ১২টার দিকে রাজধানীর কলাবাগান মাঠ থেকে আজিমপুর-নিউমার্কেট-ধানমন্ডি রুটে চক্রাকার বাস সার্ভিসের উদ্বোধন করেন ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন। এসময় উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন। এরপর বিমানবন্দর স্টেশনে পুলিশ বক্সের সামনে থেকে চক্রাকার বাসের অন্য সার্ভিসটি উদ্বোধন করবেন ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম।

উদ্বোধন হওয়া রুট দুটি হলো, আজিমপুর-নিউমার্কেট-ধানমন্ডি এবং বিমানবন্দর থেকে প্রগতি সরণি হয়ে মতিঝিল।

আজিমপুর-নিউমার্কেট-ধানমন্ডি রুটে চক্রাকার বাস সার্ভিস উদ্বোধন শেষে মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, রাজধানীর গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে ও যানজট নিরসনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গঠিত বর্ধিত কমিটি নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রাথমিক পর্যায়ে ধানমন্ডি এলাকায় এ বাস সার্ভিস চালু করা হলো।

এই সার্ভিস সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দা এবং যাত্রীদের জন্য স্বস্তিদায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।


সাঈদ খোকন বলেন, এ বাস সার্ভিসে বিআরটিসির ২০-২৫টি বাস চলবে। বাসগুলো মোট ৩৬টি স্পটে থামবে এবং নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করবে। এসব কাউন্টারে পাঁচ মিনিট পর পর একটি করে বাস আসবে। এছাড়া এ এলাকায় অন্য কোনও যাত্রীবাহী বাস চলাচল করবে না। বাসের সর্বনিম্ন ভাড়া হবে ১০ টাকা, দূরত্বভেদে ২০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৩০ টাকা ভাড়ায় এ সার্ভিস নিতে পারবেন।

জানা গেছে, আজিমপুর-নিউমার্কেট-ধানমণ্ডি রুটের ৩৬টি স্পটে চক্রাকার সার্ভিসের বাসগুলো যাত্রী পরিবহন করবে। চক্রাকার বাস চলাচল করায় একই স্থানে বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার প্রয়োজন পড়বে না।

এই রুটের বাসগুলো আজিমপুর-নিউমার্কেট-সায়েন্সল্যাব-ধানমন্ডি ২ নম্বর রোড, সাত মসজিদ রোড (ঝিগাতলা, শংকর), ধানমন্ডি ২৭, সোবহানবাগ, রাসেল স্কয়ার, কলাবাগান, সায়েন্সল্যাব, বাটা ক্রসিং, কাটাবন, নীলক্ষেত, পলাশী হয়ে আবারও আজিমপুর।

বিপরীত দিক থেকে আজিমপুর, নিউমার্কেট, সায়েন্সল্যাব, কলাবাগান, সোবহানবাগ, ২৭ নম্বর রোড পূর্ব মাথা থেকে পশ্চিম মাথা, সাত মসজিদ রোড, বিজিবি ২ নম্বর গেইট, ৩ নম্বর রোডে ইউটার্ন নিয়ে ফের সায়েন্সল্যাব-বাটা ক্রসিং-কাটাবন, নীলক্ষেত, পলাশী হয়ে আজিমপুর যাবে।

স্টপেজগুলো হচ্ছে-

কাঁটাবন-নীলক্ষেত সড়কে এলইডি সাইনের সামনে-বিপরীতে মিরপুর রোডে নিউমার্কেট-সায়েন্সল্যাব রুটে নিউমার্কেট বাস-বে এবং সায়েন্সল্যাব-নিউমার্কেট রুটে বলাকা সিনেমা হলের সামনে, মিরপুর রোডে ঢাকা কলেজ-সায়েন্সল্যাব রুটে টিচার্স ট্রেনিং কলেজ এবং সায়েন্সল্যাব-ঢাকা কলেজ রুটে জনতা ব্যাংক, ধানমন্ডি ২নং রোডে পপুলারের পশ্চিমে এবং সিটি কলেজের পশ্চিমে, সাত মসজিদ রোডে (বিজিবি গেটের পাশে) ব্যাংক এশিয়ার সামনে, সীমান্ত ব্যাংক যাত্রী ছাউনি, সাত মসজিদ রোডে ইউল্যাবের সামনে, মেডিনোভার সামনে, শংকর বাস স্ট্যান্ড, কবি নজরুল ইনস্টিটিউট ইন্টারসেকশন (জেনেটিক প্লাজার সামনে ও বিপরীতে), কলাবাগান মাঠের বিপরীতে ও পাশে পলাশী মোড় ও আজিমপুর মোড়।

এছাড়াও, বিমানবন্দর থেকে প্রগতি সরণি হয়ে মতিঝিল রুটে চলাচল করবে চক্রাকার বাসের আরেকটি সার্ভিস।


Wednesday, 20 March 2019

আলু থেকে জন্ম নেবে গোলাপ গাছ

ফুল গাছের চারা পাওয়া না গেলে কলম করা যায়। যেমন আপনার কাছে যদি গোলাপের চারা না থাকে। তাহলে একটি ডাল এনে আলুর মধ্যে বসিয়ে কলম করে নিতে পারেন। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। চেষ্টা করেই দেখুন। আলু থেকেই পেয়ে যাবেন পুরো একটি গোলাপ গাছ।

প্রথমে গোলাপ গাছের একটি ডাল নিন। যেটা কিছুদিন বেঁচে থাকবে। এরপর গোল আলু, প্লাস্টিকের বোতল, মাটি, ছুরি এবং ছোট একটি পাত্র বা টব নিন। এরপর শুরু হয়ে যাক আপনার গোলাপ চাষের কার্যক্রম।

ছুরি দিয়ে কাণ্ডের বাড়তি পাতাগুলো সাবধানে কেটে ফেলুন। যাতে মূল কাণ্ডের কোনও ক্ষতি না হয়। এরপর আলুর মাঝ বরাবর একটি ছোট্ট ছিদ্র করুন। সেই গর্তে গোলাপের ডালটি বসিয়ে দিন। খেয়াল রাখবেন ডালটি যেন আলুর মধ্যে শক্তভাবে আটকে থাকে। যাতে কাণ্ড বেঁকে বা ভেঙে না যায়।







মাটিতে গর্ত করে সেখানে গোলাপের ডালসহ আলুটি রেখে মাটি দিয়ে ঢেকে দিন। অথবা টব সাজিয়ে নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে পাত্রের এক চতুর্থাংশ মাটি দিয়ে ভরে নিন। প্রয়োজনে খুরপি দিয়ে ভালোভাবে মাটি ভরুন। এবার আলুটিকে পাত্রের মধ্যে বসিয়ে দিন। আরও কিছু মাটি আলুর ওপরে দিয়ে পাত্রটি ভরিয়ে ফেলুন।

রোপণের জন্য খোলা জায়গা না পেলে সেক্ষেত্রে বোতলটিকে কেটে দু’ভাগ করে নিন। এখন কাটা বোতলের নিচের অংশকে ব্যবহার করতে পারেন। এরপর ডালটির উপরের দিকে বোতলের উপরের অংশ দিয়ে ঢেকে দিন। খেয়াল রাখবেন যেন বোতলের মুখ খোলা থাকে।


রোপণের পর থেকে এক সপ্তাহ অপেক্ষা করুন। দেখবেন আপনার গোলাপ গাছটি দ্রুত বড় হচ্ছে। এভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতেই নিজের গোলাপের কাণ্ডে নতুন গোলাপ ফোটাতে পারেন।

Pictures from New Zealand 🇳🇿 16-03-2019

Pictures from New Zealand 🇳🇿
16-03-2019




















কেন উইলয়ামসনের পোস্টে জাতীয় প্রতীকে নামাজরত মুস্ললিরা: প্রশংসিত সারা বিশ্বে

শান্তির দেশ বলে পরিচিত নিউজিল্যান্ড বাকরুদ্ধ। ক্রাইস্টচার্চে দুটি মসজিদে হামলার ঘটনাটি মেনে নিতে পারছেন না কেউ। সামাজিক মাধ্যমে দেশটির নাগরিকরা বারবার যে কথাটি জানাতে চাচ্ছেন – আমরা নিউজিল্যান্ডবাসী এমন নই, আমরা সন্ত্রাসবাদে বিশ্বাসী নই, আমরা শান্তিকামী।

এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করে দেশটির সেলিব্রেটিরা বলছেন, মুসলাম অধিবাসীরা! আপনারা ভয় পাবেন না, আপনারা আরও বেশি বেশি মসজিদে নামাজ পড়তে যান।







এমনই একটি বার্তা দিয়েছেন নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের অধিনায়ক কেন উইলয়ামসন। তিনি একটি ছবি পোস্ট করেছেন যা রীতিমত ভাইরাল। সারা বিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে ছবিটি। ১৭ মার্চ কেন উইলিয়ামসনের শেয়ার করা ওই ছবিটি দেশটির জাতীয় প্রতীক সিলভার ফার্নের।

তবে ফার্নের পাতাটিতে রয়েছে ভিন্নতা, যা বিশ্ববাসীর দৃষ্টি কেড়েছে। ফার্নের শিড়দাড়ায় দাঁড়িয়ে নামাজরত মুস্ললিরা। প্রতি মুসল্লির রয়েছে প্রতিচ্ছবি। এভাবেই দেশটির জাতীয় প্রতীকের আদলে তিনি তৈরি করেছেন নামাজের কাতার।







নামাজরত কাতারবন্দী মানুষের বিপরীতে মানুষের প্রতিচ্ছবি যা বিনয় প্রকাশ করছে। ছবির ক্যাপশনে কেন উইলিয়ামসন লিখেছেন, ‘নিউজিল্যান্ডের অন্যান্য বাসিন্দাদের মতো আমিও বুঝে উঠতে পারছি না যে এটা কী ঘটল! এটা বুঝতে পেরেছি যে আমাদের দেশে ভালোবাসার প্রয়োজনীয়তা কখনও তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি।’

তিনি আরও লেখেন, ‘আমি আমার একাগ্রতা সব ভুক্তভোগী, নিহতের পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষী, মুসলিম সম্প্রদায় ও এ ঘটনায় আঘাত পাওয়া অন্য নিউজিল্যান্ডবাসীর কাছে পৌঁছে দিতে চাই। চলুন আমরা সবাই এক হই।’

এরপর ছবিটির নিচে হ্যাশট্যাগ দিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘হ্যালোব্রাদার।’ ছবিতে আরও লেখা রয়েছে, ‘স্ট্যান্ডিং ইন সলিডারিটি।







১৫ মার্চ ২০১৯।’ যার অর্থ-১৫ মার্চের ঘটনায় সংহতি প্রকাশ। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট অধিনায়কের এই পোস্টটি এখন পর্যন্ত ৪২ হাজার লাইক পড়েছে। ২১ হাজারের বেশি শেয়ার হয়েছে।

Friday, 1 March 2019

"যান্ত্রিক" রোডসাইড হেল্প সার্ভিস | গাড়ির পেছনে সিএনজি সিলিন্ডার নামে বিস্ফোরনের অপেক্ষায় থাকা একটা টাইম বোমা নিয়ে ঘুরবেন?

আপনি কি জানেন, সিএনজি সিলিন্ডারের বিস্ফোরিত হবার সম্ভাবনা অনেক বেশি? কারণ,সিএনজির সিলিন্ডারে এলপিজি সিলিন্ডারে্র চেয়ে ২৬ গুণেরও বেশি প্রেশার থাকে!

শুধুমাত্র এই একটি কারণেই, আপনার গাড়িতে এলপিজি ব্যবহার করা অনেক নিরাপদ।

এছাড়া, এলপিজি সিলিন্ডার একবার ফুল রিফিলে ৩ বার সিএনজি রিফিলের চেয়েও বেশি দূরত্ব অতিক্রম করে (৩০০ থেকে ৪০০ কিলোমিটার)। রিফিল টাইমও অনেক দ্রুত হওয়ায় সিএনজি স্টেশনে লম্বা সময় ধরে অপেক্ষা করার ঝামেলা নেই। আর, এলপিজি সিলিন্ডারের ওজন সিএনজি সিলিন্ডারের ওজনের তুলনায় মাত্র ৩ ভাগের একভাগ। ফলে গাড়ির সাসপেনশনের উপর প্রেশারও পড়ে অনেক কম।

এর বাইরেও ইঞ্জিনের তাপমাত্রা কমে যায় অর্ধেক, আর, কার্বন নিঃসরন হয় অনেক কম। ফলে পরিবেশের ক্ষতিও কমে।

কিন্তু সবচে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে আপনার আর আপনার পরিবারের জীবন। ভেবে দেখুন। গাড়ির পেছনে সিএনজি সিলিন্ডার নামে বিস্ফোরনের অপেক্ষায় থাকা একটা টাইম বোমা নিয়ে ঘুরবেন? নাকি এলপিজি কনভার্শন করিয়ে এই বোমার হাত থেকে যত দ্রুত সম্ভব নিজের প্রিয় পরিবারকে রক্ষা করবেন? সিদ্ধান্ত আপনার!

কনভার্শনের জন্য অর্ডার করুন zantrik.com/app এ, মেসেজ করুন ইনবক্স এ, অথবা কল করুন 096-06-404040