মেডিকেল কলেজের হোস্টেলে হাড়ে টাঙানো মশারি!
হাতের কাছে দড়ি না পেয়ে মশারি টাঙাতে ব্যবহার হয়েছে হাড়। মশারি টাঙ্গানোর এমন অদ্ভুত দৃশ্য দেখা গেলো বর্ধমান মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে। অ্যানাটমি বিভাগে রাখা হাড়ের সাহায্যে মশারি টাঙানোর সেই ছবি এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল!
ভারতীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, বর্ধমান মেডিকেল কলেজের ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র কাওসার শেখ। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে হোস্টেলে মশারি টাঙানোর জন্য দড়ি পাচ্ছিলেন না। তাই কলেজের অ্যানাটমি বিভাগ থেকে হাড় নিয়ে এসে মশারি টাঙিয়ে ঘুমান। পরের সেই ছবি আবার ফেসবুকে পোস্টও করেন কাওসার।
ফেসবুকে দেয়া কাওসারের ছবিসহ ক্যাপশন
ছবির ক্যাপশনে লিখেন, 'যখন আপনি মশারি টাঙাতে বাধ্য, কিন্তু হোস্টেলে দড়ি নেই। যার হাড় সে না জানি কী ভাবছে এসব দেখে।’
ঘটনাটি নেহাত মজা বলেই দাবি করেছেন কাওসার শেখ। তার বক্তব্য, রোববার দড়ি কিনে নিয়ে এসেছি। মজা করার জন্য হাড় দিয়ে মশারি বেঁধেছিলাম। ফেসবুকে ছবিও পোস্ট করেছি। তবে হোস্টেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই।
একই কথা বলেছেন বর্ধমান মেডিকেল কলেজের স্টুডেন্টস ইউনিয়নের সভাপতি শুভ চট্টোপাধ্যায়। ঘটনাটিকে আমল দিতে রাজি নন ওই মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ সুহৃতা পালও।
হাতের কাছে দড়ি না পেয়ে মশারি টাঙাতে ব্যবহার হয়েছে হাড়। মশারি টাঙ্গানোর এমন অদ্ভুত দৃশ্য দেখা গেলো বর্ধমান মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে। অ্যানাটমি বিভাগে রাখা হাড়ের সাহায্যে মশারি টাঙানোর সেই ছবি এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল!
ভারতীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, বর্ধমান মেডিকেল কলেজের ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র কাওসার শেখ। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে হোস্টেলে মশারি টাঙানোর জন্য দড়ি পাচ্ছিলেন না। তাই কলেজের অ্যানাটমি বিভাগ থেকে হাড় নিয়ে এসে মশারি টাঙিয়ে ঘুমান। পরের সেই ছবি আবার ফেসবুকে পোস্টও করেন কাওসার।
ফেসবুকে দেয়া কাওসারের ছবিসহ ক্যাপশন
ছবির ক্যাপশনে লিখেন, 'যখন আপনি মশারি টাঙাতে বাধ্য, কিন্তু হোস্টেলে দড়ি নেই। যার হাড় সে না জানি কী ভাবছে এসব দেখে।’
ঘটনাটি নেহাত মজা বলেই দাবি করেছেন কাওসার শেখ। তার বক্তব্য, রোববার দড়ি কিনে নিয়ে এসেছি। মজা করার জন্য হাড় দিয়ে মশারি বেঁধেছিলাম। ফেসবুকে ছবিও পোস্ট করেছি। তবে হোস্টেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই।
একই কথা বলেছেন বর্ধমান মেডিকেল কলেজের স্টুডেন্টস ইউনিয়নের সভাপতি শুভ চট্টোপাধ্যায়। ঘটনাটিকে আমল দিতে রাজি নন ওই মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ সুহৃতা পালও।

Great post and success for you..
ReplyDeleteKontraktor Pameran
Jasa Pembuatan Booth Pameran
Jasa Pembuatan Booth
Kontraktor Booth Pameran