– নিষ্পাপ শৈশবে-
যখন
উড়ে
যাওয়া
এরোপ্লেন দেখে
পাইলট
হতে
ইচ্ছে
করে,
ফেরিওয়ালার ঝুড়িতে
রঙবেরঙের পসরা
দেখে
পথে
পথে
ঘুরে
ফেরি
করতে
ইচ্ছে
করে,
দাদার
রেডিওর
সমস্ত
পার্টস
খুলে-
আর
না
লাগাতে
পেরে
স্টোর
রুমে
লুকিয়ে
রেখে
ভবিষৎ
সায়েন্টিস্ট প্রস্তুতি নিচ্ছে
দুনিয়া
জয়ের,
স্কুল
ম্যাগাজিনে নিজের
প্রথম
প্রকাশিত লেখা
ভবিষৎ
সাহিত্যিকের ক্ষুদে
বুকটা
ভরিয়ে
তুলছে-
সেই
সময়ই
কিছু
শিশুকে
মুখোমুখি হতে
কুৎসিত
অন্ধকারের, বিনা
অপরাধে
রঙিন
নিষ্পাপ স্বপ্নগুলো হারিয়ে
যায়
দুঃস্বপ্নের ভীড়ে,
জীবনটা
হয়ে
ওঠে
বিভীষিকা।
ক্লাস ওয়ান পড়ুয়া মেয়েটি টিচারের কাছে পড়তে যেতে চাচ্ছে না। তার অভিযোগ টিচার তাকে ব্যথা দেয়। বাবা-মা ধমক দিয়ে পাঠালেন। তারা বললেন, ‘এসব তোমার ফাঁকি দেওয়ার ছল!’ চোখ মুছে শিশুটি টিচারের কাছে পড়তে বসলো। সে জানে না কেন স্যার তাকে কিছু জায়গায় এভাবে ছোঁয়।
গৃহকর্ত্রীর দূর-সম্পর্কের ভাই এসেছে বাসায়। দুপুরবেলা তারই হেফাযতে দশ বছরের কাজের মেয়েটিকে রেখে গৃহকর্ত্রী গেছেন শপিংয়ে। …… লোকটা মেয়েটিকে হুমকি দিলো কাউকে কিছু বললে মেরে লাশ বানিয়ে ফেলবে।
সাত বছরের ফুটফুটে ছেলেটাও বুঝতে পারলো না চাচ্চু তার সাথে বারবার এমন করছে কেন। চাচ্চু বলেছে এটা একটা সিক্রেট মজার খেলা- কাউকে বলা যাবে না। কিন্তু তার খুব কষ্ট হচ্ছে, ব্যথা লাগছে। আম্মু-আব্বুকে কি তার বলা উচিত? যদি তারা বিশ্বাস না করে? ওকেই পঁচা ভাবে? আচ্ছা, চাচা তো খুব ভালো, তাকে কত কি মজার খেলনা দেয়- কত গল্প করে! বলে দিলে কি চাচা আর কখনো ওকে আদর করবে না? সে কীভাবে বলবে আম্মু-আব্বুকে?
মায়ের বুকে মুখ লুকিয়ে মায়াবতী কন্যাশিশুটি যখন বলে উঠলো গ্রামের বাড়ি বেড়াতে এসে তার সাথে কী নির্মম ঘটনাটা ঘটে গেছে, হতভম্ব মা মেয়ের চোখের জল মুছে বললেন, ‘চুপ করে থাকো, কাউকে বোলো না!’
No comments:
Post a Comment